অনিয়ম দুর্নীতি অর্থ আত্মসাৎ অবৈধ সম্পদ অর্জন অভিযোগে আছেন বহাল তবিয়তে অর্থ নিয়ন্ত্রক রুহুল কবির
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১৩-০৯-২০২৬ ০৫:২১:৩১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১৩-০৯-২০২৬ ০৫:২১:৩১ অপরাহ্ন
অনিয়ম দুর্নীতি অর্থ আত্মসাৎ অবৈধ সম্পদ অর্জন অভিযোগে আছেন বহাল তবিয়তে অর্থ নিয়ন্ত্রক রুহুল কবির
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) বর্তমান নিয়ন্ত্রক (হিসাব ও অর্থ) মোঃ রুহুল কবিরের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ অবৈধ সম্পদ অর্জন সহ একাধিক অভিযোগ।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ বিভাগ চলেছে হরিলুট অনিয়ম দুর্নীতি নিয়োগ বদলি বাণিজ্য প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎসহ নানা ধরনের অনিয়ম করে অনেক দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা শূন্য থেকে বনে গেছেন শত শত কোটি টাকার মালিক। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেক কর্মকর্তা পেয়েছেন শাস্তি আবার কেউ রাজনৈতিক ভোল পাল্টিয়ে পেয়েছেন পদোন্নতি আছেন বহাল তবিয়তে। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা ভোগকারী বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রক হিসাব ও অর্থ মোঃ রুহুল কবির তাদের মধ্যে অন্যতম সম্প্রতি একটি অভিযোগে এমনি উল্লেখ করা হয়েছে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাধিক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ থাকার পরেও তিনি শাস্তির বদলে উল্টো পেয়েছেন পদোন্নতি ছিলেন পরিচালক কিন্তু রাজনৈতিক তদবির করে পোস্টিং পেয়েছেন সর্বোচ্চ লোভনীয় চেয়ার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রক হিসাব ও অর্থ।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, রুহুল কবির ভুয়া বিল ভাউচার বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ অনিয়ম দুর্নীতি বদলি বাণিজ্য সহ নানা অপকর্ম করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ এবং অবৈধ অর্থে তৈরি করেছেন সম্পদের একটি বিশাল সাম্রাজ্য।
তবে অবাক করা বিষয় হচ্ছে ২০২৪ সালের ৫ ই আগস্ট এর পরে বিদ্যুৎ বিভাগের অনেক দুর্নীতিবাজ শীর্ষ কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিভিন্ন তথ্য গণমাধ্যমে উঠে আসলেও রুহুল কবিরের কোন তথ্য কোথাও আসেনি। বিভিন্ন নির্ভরযোগসূত্রের তথ্য অনুযায়ী তিনি অবৈধ অর্থ দিয়ে সবকিছু ধামাচাপা দিয়ে রেখেছেন।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ দিয়ে রাজধানীতে ক্রয় করেছেন একাধিক প্লট ফ্লাট গাড়ি গ্রামের বাড়ি জামালপুরে ও বিপুল পরিমাণ জমি জমা ক্রয়ের অভিযোগ রয়েছে।
আইনের চোখ ফাঁকি দেওয়ার জন্য অধিকাংশ সম্পদ স্ত্রী সন্তান ও বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নামে বেনামে ক্রয় করেছেন দেশের বাহিরে ও বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এই বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তৎকালীন পরিচালক ও বর্তমান নিয়ন্ত্রক (হিসাব ও অর্থ) রুহুল কবিরের বিরুদ্ধে প্রায় একই রকম একটি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক ভাবে বেশ কিছু তথ্য প্রমাণের সত্যতা পাওয়ার পর ইতিমধ্যে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ব্যাংক সহ বিভিন্ন দপ্তরে তার সম্পদ ও নগদ অর্থের তথ্য চেয়ে চিঠি প্রেরণ করেছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, রুহুল কবির বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছেন এবং এই সরকারের আমলেও তিনি কিভাবে বহাল তবিয়তে আছেন ? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে। অনতিবিলম্বে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন এবং তার চাকরি প্রায় শেষ প্রান্তে অবসরে যাওয়ার আগেই তাকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।
এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রক (হিসাব ও অর্থ) রুহুল কবিরের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি এরপরে হোয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তায় অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি লিখে দেন এগুলো সব মিথ্যা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : NewsUpload
কমেন্ট বক্স